ads

Type Here to Get Search Results !

ads2

যে কোনাে আকারের মাটির পাত্রে বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে নকশা করা যাবে এবং সহজলভ্য মাটির পাত্র, সহজলভ্য রঙ ব্যবহার করা যাবে। যে কোনাে কাগজে যে কোনাে নকশা করা যাবে (যে কোনাে মাধ্যমের রঙ ব্যবহার করা যাবে)

Latest Updates Google News Click Here

 

যে কোনাে আকারের মাটির পাত্রে বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে নকশা করা যাবে এবং সহজলভ্য মাটির পাত্র, সহজলভ্য রঙ ব্যবহার করা যাবে। যে কোনাে কাগজে যে কোনাে নকশা করা যাবে (যে কোনাে মাধ্যমের রঙ ব্যবহার করা যাবে)

লোকশিল্পের যে কোনাে একটি উপাদান প্রস্তুতকরণ

সংকেত:
১। মাটির পাত্রে রঙ দিয়ে মনের মতাে করে নকশা তৈরি,
২। কাগজে নকশা অঙ্কন,
৩। কাগজের বা অন্য উপজকরণে হাত পাখা তৈরি,
৪। মনের মতাে যে কোনাে উপাদান,
৫। যেকোনাে উৎস্য ব্যবহার করে ধারণা নেয়া যেতে পারে।

যে কোনাে আকারের মাটির পাত্রে বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে নকশা করা যাবে এবং সহজলভ্য মাটির পাত্র, সহজলভ্য রঙ ব্যবহার করা যাবে।

যে কোনাে কাগজে যে কোনাে নকশা করা যাবে (যে কোনাে মাধ্যমের রঙ ব্যবহার করা যাবে)।

সহজলভ্য রঙ ব্যবহার করা যাবে। প্রস্তুতকৃত উপাদানটি সহজে পরিবহণযােগ্য, জমাদানের উপযােগী হতে হবে।

উত্তর সমূহ:

লোকশিল্প লোক সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে তৈরি সমস্ত ধরনের চাক্ষুষ শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করে। লোকশিল্পের অনেক ধরনের সংজ্ঞা রয়েছে, তবে সাধারণত বস্তুগুলির কেবলমাত্র আলংকারিক হওয়ার পরিবর্তে কিছু ধরনের ব্যবহারিক উপযোগ থাকে।

লোক শিল্পের নির্মাতারা সাধারণত সংস্কৃতির ললিতকলা ঐতিহ্যের পরিবর্তে একটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যে মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়ে থাকেন। গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষ যারা উন্নত সমাজের কাঠামোর মধ্যে বিরাজমান করে কিন্তু ভৌগোলিক অথবা সাংস্কৃতিক কারণে শিল্পের উন্নত ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তাদের নির্মিত এ শিল্পকে লোকশিল্প রূপে বিবেচনা করা হয়।

বাঙালির জীবনসম্পৃক্ত বিবিধ শৌখিন শিল্পোপকরণের মধ্যে শখের হাঁড়ি অন্যতম। এর রং, নকশা, মোটিফ এবং স্টাইলের মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় চিরায়ত বাঙালি মানসের হারিয়ে যাওয়া আদিমতম ইতিহাসের স্মারক।পণ্য হিসেবে বাংলার শখের হাঁড়ির ঐতিহ্য অনেক পুরনো। উৎসবপ্রিয় বাঙালির প্রতিদিনের জীবন, ধর্ম-সংস্কৃতি, আনন্দ-বেদনা এবং চিন্তার সাথে শখের হাঁড়ি একাকার হয়ে আছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলভেদে মাটির তৈরি পাত্রের নানা বৈচিত্র্য ও বৈশিষ্ট্য গড়নে, অলংকরণে ও আকারে লক্ষণীয়।

শখের হাঁড়িতে রং করার জন্য প্রথমে তেতুলের বিচি ভেজে উপরের লাল খোসা ফেলে দিয়ে তা পানিতে ভিজিয়ে ছেঁচে জ্বাল দিয়ে আঠা বের করা হয়। ঐ আঠাতে চক পাউডার দিয়ে হাঁড়িতে প্রলেপ দেওয়া হয়। এইভাবে দুইবার প্রলেপ দিতে হয়। তারপরে পিউরী (হলুদ রং) তেতুলের বিচির আঠা দিয়ে আরেক বার প্রলেপ দিতে হয়।

 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

তারপর রং অর্থাৎ নকশা করা; (যেমন নীল, গেরীমাটি, সবুজ) ইত্যাদি রং তেতুল বিচির আঠা দিয়ে রং, নকশা করতে হয়।
লাল বা খুনি রং দুধ দিয়ে গুলিয়ে রং করতে হয়। এই রং ছাগলের ঘাড়ের একগুচ্ছো চুল পানিতে ভিজিয়ে হাতের মুঠে নিয়ে ছুচালো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে কেটে তা বাঁশের কঞ্চিতে চিকন করে তার মধ্যে গোড়ার অংশটা সুতা দিয়ে তুলির মত করে বেঁধে সেই তুলি দিয়ে রঙের কাজ হয়।

বর্তমানে চকচকে করার জন্য রং দেওয়ার পর বার্নিশ, রজন, চাঁচ ইত্যাদির প্রলেপ দেওয়া হয়।” আগে মাছ, পাখি, হাতি, ঘোড়া, ফুল, বিভিন্ন রকম ফুল, পাতা, চিরুনী ইত্যাদির নকশা প্রচলিত ছিল। বর্তমানে অনেক রকম ফল, ফুল, ইত্যাদি নতুন নকশা করা হয়। আগে মাছ, কাঁটা, ফুল ও দলের নকশা বেশি ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে সেগুলো ছাড়াও অনেক রকমের ফল, ফুলের নকশা তৈরি করে। প্রকৃতি থেকে দেখেই নকশা হাঁড়িতে তুলি করা হয়।

জনৈক শিল্পী জানান, “গৌরীর বিয়ের সময়ে পালের সৃষ্ট, তখন থেকে নকশা ব্যবহৃত হয়। আগে রং ছিলনা। সে সময় আতপ চালকে পিসে পানি দিয়ে গুলিয়ে হাঁড়িতে বা ঘটে রঙ্গের প্রলেপ দেওয়া হতো। তারপর তিনটা সিদুরের ফোটা দিতো, তিনটা চন্দনের ফোটা দিত। পরে রঙের ব্যবহার হয়।


  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ৮ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

    • ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
    • চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

 

  • ১১ম -১২ম শ্রেণীর এইচএসসি ও আলিম এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ১০ম শ্রেণীর এসএসসি ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৬ষ্ঠ ,৭ম,৮ম ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

 

Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Area